শিশুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণ করবেন কিভাবে?....

পুষ্টিবিদ আয়শা সিদ্দিকা জানাচ্ছেন বিস্তারিত।

বাচ্চার শুধু ক্যালসিয়াম কম থাকবে আমার মনে হয় না, ক্যালসিয়ামের সাথে হয়তো ভিটামিন-ডিও কম আছে। প্রত্যেকদিন না হোক কমপক্ষে সপ্তাহে পাঁচদিন আপনি বাচ্চাকে সানলাইটে দিবেন। তাহলে ভিটামিন ডি-টা পর্যাপ্ত হওয়ার পরে ক্যালসিয়াম অ্যাবজরভেশন তার বাড়বে। কারণ ভিটামিন-ডি যদি তার কম হয়, তাহলে কিন্তু ক্যালসিয়ামটা রিকভার করবে না এবং বাংলাদেশে যেটি সবথেকে বেশি হয়, মোটামুটি ক্যালসিয়ামটাই ঠিক থাকে, ভিটামিন-ডি লো থাকে । আর আপনার বাচ্চার যে বয়স আপনি বললেন ১৩ মাস, এই ১৩ মাসের বাচ্চার ক্যালসিয়াম লো মানে হলো আপনার প্রেগনেন্সি ফুড ইনটেক্ট ভালো ছিল না, এমনকি আপনার লেখাটির সময় ফুড ইনটেক্ট হয়তো ক্যালসিয়াম হাই ছিল না যার কারণে বাচ্চাটির ডেফিশিয়েন্সি হয়েছে। সুতরাং এখন বাচ্চাটির ডেফিশিয়েন্সি দূর করার জন্য আপনি খেয়াল করবেন যে, তাকে যে ফর্মুলা দুধটা আপনি দিয়ে থাকেন, সেই দুধে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে কি না । দুধ হলো ক্যালসিয়ামের প্রথম সোর্স বাচ্চাদের জন্য । বাচ্চারা অনেক খাবার খাবে না কিন্তু দুধ দিয়ে আমরা ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে পারি । দই ছানা পনির এই চারটি খাবার ওর জন্য রাখবেন, ডাল থেকে সে কিছুটা পাবে, কিশমিশ খাওয়াতে পারেন বাচ্চাকে এবং কাতল মাছ দিতে পারেন। তার জন্য যে চিকেনটা করবেন, সেই চিকেন পোস্তদানা দিয়ে করতে পারেন । পোস্তদানা এবং কাতল মাছ হলো ক্যালসিয়াম রিচ ফুড । সুতরাং এই দুটো খাবারকে ওর খাবারের মধ্যে ইনক্লুড করে ফেলুন । তাহলে কিন্তু ধীরে ধীরে তার ক্যালসিয়াম অ্যাবজরভেশন বেড়ে যাবে এবং সানলাইটে দিলে তার ভিটামিন ডি-টাও অ্যাবজরবেশন বাড়বে । ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি যৌথভাবে কাজ করে। একটির অভাবে কিন্তু আরেকটি ভালো কাজ করবে না। ভিটামিন ডি এরও ডেফিশিয়েন্সি হতে পারে। এই ভিটামিন-ডি সানলাইট থেকে পাবে, ডিমের কুসুম থেকে কিছুটা পাবে, সামুদ্রিক মাছ থেকে পাবে। আরেকটি জিনিস আপনি করতে পারেন, বাচ্চার পিডিয়াট্রিক ভিটামিন ডি ড্রপ আছে, সুতরাং তার বয়স এবং ওজন অনুযায়ী আস্ট্রয় ডিটা আপনি তাকে কিন্তু প্রতিদিনই একবার করে ৪০০ আই ইউ দিতে পারেন, তাহলে রিকভার করে যাবে

Comments 0

No comments found